আপনার নেতৃত্বের অপেক্ষায়---আগামীর বাংলাদেশ।
তুমি জেগে ওঠো আজকের হয়ে, এবার তুমি তোমার মত, তুমি বাঁধনহারা, তোমার জন্য স্বাধীনতা, তোমাকে আসতেই হবে, নতুন বাংলাদেশ তোমার অপেক্ষায়। যেখানে তোমার স্বপ্ন, তুমি বুনবে, নতুন বাংলাদেশ- আগামী বিশ্ব তোমার হাতে।
২৯। আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচন (রাজধানী ও উপ-রাজধানী ব্যতীত সিটি কর্পোরেশন)
Impact Story
বিষয়টি শুনুন

নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।

ডাউনলোড করুন

ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

Impact Story
পাশে উল্লিখিত বিষয়টি শুনুন

পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।

পাশে উল্লিখিত বিষয়টি ডাউনলোড করুন

অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।

২৯। আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচন (রাজধানী ও উপ-রাজধানী ব্যতীত সিটি কর্পোরেশন),

Ø  তফসিল,

o   দেশের প্রতিটি বিভাগে ‘আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’ কমিটি থাকবে। জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনের পরবর্তী বছর ২ অক্টোবর বা ইউনিয়ন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনের সাথে আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

o   বিভাগের প্রতিটি জেলার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট ও ভাইচ-প্রেসিডেন্ট পদধিকার বলে বিভাগের চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির কার্যকরী সদস্য পদে অধিষ্ঠিত হবেন।

o   রাজধানী ও উপ-রাজধানী ব্যতীত আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হবেন এবং ভাইচ-প্রেসিডেন্ট ডেপুটি মেয়র হবেন।

o   আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির কার্যকারী সদস্য ব্যতীত নির্বাচিত অন্য সদস্যগণ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর হবেন।

o   কাউন্সিলরগণ পদাধিকার বলে আঞ্চলিক বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি ও সহ-সভাপতি হবেন। তবে কে কোনো স্টান্ডিং কমিটির সভাপতি ও সহ-সভাপতি হবেন তা ‘আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’ কমিটি নির্ধারণ করবেন।

o   আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’ কমিটির পদসমূহ ‘জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’ কমিটির মতো একই পদ থাকবে।

Ø  প্রার্থী,

o   আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’ কমিটির নির্দিষ্ট ৬০টি পদের জন্য, জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির একই পদের নির্বাচিতদের থেকে প্রার্থী হবেন (গুরুপিং অনেক কম হবে)। অর্থাৎ যারা জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট, আমদানি ও রপ্তানি সম্পাদক, আইন সম্পাদক ইত্যাদি পদে নির্বাচিত হয়েছেন তারা যথাক্রমে আঞ্চলিক চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট, আমদানি ও রপ্তানি সম্পাদক ও সহ সম্পাদক , আইন সম্পাদক ও সহ সম্পাদক ইত্যাদি পদের প্রার্থী হবে।

o   আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি পদের সাবেক বিজয়ী বা পরবর্তীতে পরাজিত সদস্য আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনের যেকোনো পদে প্রার্থী হতে পারবেন।

o   আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পদে সর্বোচ্চ তিন টার্ম দায়িত্ব পালন করতে পারবেন এবং ছয় টার্ম প্রার্থী হতে পারবেন।

o   জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনে জয়ী ও সর্বশেষ পরাজিত প্রার্থী আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

Ø  ভোটার,

o   নির্দিষ্ট বিভাগের সকল জেলার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সদস্যরা আঞ্চলিক চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নির্বাচনে সকল পদের ভোটার হবেন।

o   বিভাগের প্রতিটি সেক্টর ভিত্তিক স্ট্যান্ডিং কমিটি বা সাব কমিটি থাকতে পারে। তবে বিভাগের স্ট্যান্ডিং কমিটি বা সাব কমিটি, আঞ্চলিক চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি ভোটার হবে না।

o   সিটি কর্পোরেশনের অধিবাসীদের নির্দিষ্ট উপজেলায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে, আগামী কয়েক দশকের মধ্যে সিটি কর্পোরেশন থেকে আবাসন বের করে নেওয়া হবে। সিটি কর্পোরেশন কেবল বাণিজ্যিক এলাকা থাকবে।

o   তফসিল ঘোষণার ১৫ দিন পূর্বে খসড়া ভোটার তালিকা বিভাগীয় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

o   খসড়া ভোটার তালিকার বিরুদ্ধে খসরা ভোটার তালিকা প্রকাশের ৫ দিনের মধ্যে আপিল দাখিলের সময় থাকবে।

o   আপিল দাখিলের পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে আপত্তি নিষ্পত্তি করা হবে এবং তফসিল ঘোষণার সাথে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বিভাগীয় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

     Ø  ভোট কেন্দ্র,

o   বোর্ডের শীর্ষ র‍্যাংকিংয়ে থাকা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

o   বিভাগীয় নির্বাচন অফিসার রিটার্নিং অফিসার, জেলা নির্বাচন অফিসার সহকারী রিটার্নিং অফিসার, ঐ প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রিজাইডিং অফিসার এবং শিক্ষকবৃন্দ সহকারী প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

Ø  নির্বাচনী ফলাফল,

o   ভোট গনণা শেষে কেন্দ্রের প্রতিটি কক্ষে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে, তারপর কেন্দ্রে প্রাথমিক বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

o   নির্বাচনের পরের দিন সিসিটিভির ঘণ্টা ও মিনিট উল্লেখ করে অভিযোগ বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উল্লেখ করে প্রার্থী আপিল করতে পারবেন এবং পরবর্তী ৬ দিনের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

o   যে সকল নির্বাচনী আসনে নির্বাচনের পরের দিন আপিল আসবে না, সেখানে নির্বাচন পরবর্তী ২য় দিন বিকাল ৫টার পর আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে।